
ডেলিভারির পার্ট-টাইম কাজে একবারেই দেশ ছাড়তে হবে? শিক্ষার্থীদের অবশ্যই পড়ার মতো
2026.11.05 · 4 মিনিটে পড়া যায় · বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তি- শিক্ষার্থী অবৈধভাবে কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়লে নীতিগতভাবে দেশ ছাড়তে হবে
- কতবার ধরা পড়লেন তা নির্বিশেষে বাধ্যতামূলক বহিষ্কার বা দেশত্যাগের আদেশ
- ডেলিভারি নিয়ে যৌথ অভিযান এবং ৬৯টি জায়গায় বিশেষ অভিযান
আগে সিদ্ধান্তটা বলে দিই। ১০ই অক্টোবর নয়, ২৯শে অক্টোবর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর বৈঠকে বিচার মন্ত্রণালয় (법무부) ঠিক করেছে, শিক্ষার্থীরা ডেলিভারি, বিনোদন ব্যবসার মতো কাজের সুযোগ সীমিত এমন ক্ষেত্রে অবৈধভাবে কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়লে, কতবার ধরা পড়েছেন তা নির্বিশেষে নীতিগতভাবে বাধ্যতামূলক বহিষ্কার বা দেশত্যাগের আদেশ দেওয়া হবে, এই মর্মে শাস্তির মানদণ্ড কঠোর করা হবে। জাতীয় পুলিশ সংস্থার (경찰청) সঙ্গে মিলে বিদেশি অবৈধ ডেলিভারি রাইডারদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযানও জোরদার করা হবে।
"অফিসের পর শুধু একবার করে দেখছি, কিছু হবে না তো?" "বন্ধুর অ্যাকাউন্টে একটু কাজ করলে?" "আগে নাকি প্রথমবার ছেড়ে দিত…" এমন ভাবনা মনে আসতেই পারে। তাই আজ ধাপে ধাপে সাজিয়ে বলছি, কী বদলাচ্ছে, কারা এর আওতায়, আর বৈধভাবে কাজ করতে হলে কী করতে হবে 🙂
🧭 কী বদলাচ্ছে
২৯শে অক্টোবর বিচার মন্ত্রণালয় ভূমি, পরিকাঠামো ও পরিবহন মন্ত্রণালয় (국토교통부), কর্মসংস্থান ও শ্রম মন্ত্রণালয় (고용노동부), জাতীয় পুলিশ সংস্থা (경찰청) এবং কোস্ট গার্ডকে (해양경찰청) নিয়ে বৈঠক করেছে। সেখানে বিদেশিদের অবৈধ ডেলিভারি, জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের এলাকা এবং জেজু অঞ্চলে অবৈধ অবস্থান, এসব মোকাবিলায় যৌথ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো শাস্তির মানদণ্ড কঠোর করা। ডেলিভারি, বিনোদন ব্যবসার মতো কাজের সুযোগ সীমিত ক্ষেত্রে অবৈধভাবে কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়লে, কতবার তা বিবেচ্য নয়, নীতিগতভাবে বাধ্যতামূলক বহিষ্কার বা দেশত্যাগের আদেশ হবে। কার্যকরের সময়ের মতো বিস্তারিত মানদণ্ড মূল লেখা বা 1345 থেকে দেখে নিন 💡
এবার ঠিক কী কঠোর করা হয়েছে?
কাজের সুযোগ সীমিত ক্ষেত্রে অবৈধভাবে কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়লে, কতবার তা নির্বিশেষে নীতিগতভাবে বাধ্যতামূলক বহিষ্কার বা দেশত্যাগের আদেশ দেওয়ার জন্য শাস্তির মানদণ্ড কঠোর করা হচ্ছে। কার্যকরের তারিখের মতো বিস্তারিত তথ্য মূল লেখায় নেই, তাই 1345 থেকে জেনে নিন।
🚨 অভিযান কতদূর ছড়াবে
বিচার মন্ত্রণালয় জাতীয় পুলিশ সংস্থার সঙ্গে যৌথ অভিযান জোরদার করবে। ডেলিভারি কোম্পানির সংগঠিতভাবে অবৈধ নিয়োগ ও কাজ জুটিয়ে দেওয়া, লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানো, অন্যের নামের অ্যাকাউন্ট অবৈধভাবে ব্যবহার করার মতো বেআইনি কাজেও তদন্তে সহযোগিতা বাড়ানো হবে বলে জানানো হয়েছে।
আরও, সারা দেশের অভিবাসন ও বিদেশি দপ্তর (অফিস) (출입국·외국인청(사무소)) জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের ৬৯টি এলাকা ও কর্মস্থলে বিশেষ অভিযান চালাবে। জেজুতে অবৈধ অবস্থান ও অবৈধ নিয়োগ, কাজ জোটানোর দালাল, অনুমতি ছাড়া দ্বীপ ছাড়ার মতো বিষয়ে যৌথ অভিযান চালানো হবে 😮
অন্যের ডেলিভারি অ্যাকাউন্ট ধার করে ব্যবহার করলেও কি সমস্যা হবে?
মূল লেখায় অন্যের নামের অ্যাকাউন্ট অবৈধভাবে ব্যবহারকে তদন্তে সহযোগিতার আওতাভুক্ত বেআইনি কাজ বলা হয়েছে। লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানোও একই। নির্দিষ্ট শাস্তির মানদণ্ড মূল লেখায় নেই, তাই 1345 থেকে জেনে নিন।
👀 আগে কেমন ছিল
রেফারেন্স উপাদানে পার্ট-টাইম কাজের অনুমতি লঙ্ঘনের নিষ্পত্তির মানদণ্ড দেখলে, অনুমতি ছাড়া কাজ করে প্রথমবার ধরা পড়লে এবং লঙ্ঘন সামান্য হলে নোটিশের মাধ্যমে শাস্তি (통고처분) পাওয়ার পর অবস্থানের অনুমতি পাওয়া যেত। দ্বিতীয়বার ধরা পড়া থেকে বাধ্যতামূলক বহিষ্কারই ছিল নিয়ম, আর নির্মাণ খাতে অবৈধ কাজ করলে কোনো ব্যতিক্রম ছাড়াই দেশত্যাগের আদেশ হতো।
এবারের ঘোষণার মর্ম হলো, ডেলিভারি, বিনোদন ব্যবসার মতো ক্ষেত্রে কতবার হলো তা নির্বিশেষে নীতিগতভাবে দেশ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাই 'একবার হলে কিছু হবে না' ভাবাটা ঝুঁকিপূর্ণ ⚠️
আগের মতো প্রথমবার ধরা পড়লে কি আর ছাড় দেওয়া হবে না?
এবারের নীতি হলো ধরা পড়ার সংখ্যা নির্বিশেষে নীতিগতভাবে বাধ্যতামূলক বহিষ্কার বা দেশত্যাগের আদেশ দেওয়া। তবে আলাদা আলাদা ঘটনার সিদ্ধান্ত অভিবাসন দপ্তর (출입국관서) নেয়, তাই নির্দিষ্ট ক্ষেত্রের জন্য 1345-এ জিজ্ঞেস করুন।
📄 বৈধভাবে কাজ করতে হলে
শিক্ষার্থীর পার্ট-টাইম কাজ করতে হলে পার্ট-টাইম কাজের অনুমতি (시간제 취업허가) নিতে হয়। নিয়োগকর্তা ও কর্মী দুই পক্ষ মিলে স্ট্যান্ডার্ড শ্রম চুক্তি করবেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী পার্ট-টাইম কাজের নিশ্চিতকরণপত্র (시간제취업확인서) তৈরি করবেন, তারপর অনলাইনে বা সরাসরি গিয়ে আবেদন করতে হবে। অনুমতি হলে স্টিকার লাগানো হয় অথবা অনলাইন অনুমতিপত্র প্রিন্ট করতে হয়।
এর আওতায় আছে D-2-1~D-2-4, D-2-6, D-2-7। ভাষা প্রশিক্ষণ (D-4-1, D-4-7) এবং ভিজিটিং শিক্ষার্থীর (D-2-8) ক্ষেত্রে স্ট্যাটাস বদলের দিন থেকে (ভিসাধারী হলে প্রবেশের দিন থেকে) ৬ মাস পার হতে হবে। তবে অনুমতি পেলেও কোন ধরনের কাজ করা যাবে তা মূল লেখায় নেই, তাই আবেদনের আগে অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে নিন ✅
অনুমতি পেলে কি ডেলিভারির কাজও করা যাবে?
মূল লেখায় ডেলিভারি ও বিনোদন ব্যবসাকে কাজের সুযোগ সীমিত ক্ষেত্র বলে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। কোন কোন কাজের অনুমতি মেলে তার বিস্তারিত মানদণ্ড উপাদানে নেই, তাই কাজ শুরুর আগে স্কুলের শিক্ষার্থী বিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী বা 1345-কে অবশ্যই জিজ্ঞেস করুন।
⚠️ প্রায়ই হওয়া ভুল
সবচেয়ে সাধারণ ভুল হলো 'একটু সময়ের জন্যই তো', 'বন্ধুর বদলে করছি' বলে অনুমতি ছাড়া কাজ করা। যিনি কাজে নিয়েছেন তিনিও শাস্তির আওতায় পড়তে পারেন।
আবার অনুমতি পেয়েছি ভেবে নিশ্চিন্তে নিয়োগকর্তা বদলে ফেলাও ঝুঁকিপূর্ণ। নিয়োগকর্তা আলাদা হয়ে কর্মস্থল বদলালে আগে থেকেই আবার পার্ট-টাইম কাজের অনুমতি নিতে হবে 😮
অনুমতি পাওয়া জায়গা ছাড়া অন্য দোকানে কাজ করা যাবে?
নিয়োগকর্তা আলাদা হয়ে কর্মস্থল বদলালে আগে থেকেই আবার পার্ট-টাইম কাজের অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া কাজ করলে তা অবৈধ কাজ হয়ে যেতে পারে।
✅ এখন করণীয়, ধাপে ধাপে
- 1এখন কোনো কাজ করে থাকলে, পাসপোর্ট বা অনুমতিপত্র দেখে নিশ্চিত হোন যে পার্ট-টাইম কাজের অনুমতি নেওয়া আছে কি না।
- 2কাজ শুরুর আগে স্কুলের শিক্ষার্থী বিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীকে পার্ট-টাইম কাজের নিশ্চিতকরণপত্র তৈরি করে দিতে বলুন।
- 3ডেলিভারি, বিনোদন ব্যবসার মতো কাজের সুযোগ সীমিত কাজ করবেন না, আর আগেই করে ফেললে আগে 1345-এ পরামর্শ নিন।
- 4অন্যের নামের ডেলিভারি অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করবেন না।
- 5বিস্তারিত মানদণ্ড বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তির মূল লেখা বা 1345 থেকে দেখে নিন।
সাধারণ প্রশ্ন
মূল লেখায় কার্যকরের তারিখ নেই। বিস্তারিত মানদণ্ড মূল লেখা বা 1345 থেকে দেখে নিন।
হ্যাঁ। ভূমি, পরিকাঠামো ও পরিবহন মন্ত্রণালয় অভিবাসন সংস্থাগুলো থেকে অবৈধ নিয়োগের মতো লঙ্ঘন ও শাস্তির তথ্য পাবে এবং 「জীবনযাত্রার লজিস্টিক সেবা শিল্প উন্নয়ন আইন」 (생활물류서비스산업발전법) অনুযায়ী জরিমানার শর্তে পড়ে এমন ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম ব্যবসায়ী প্রমুখের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেবে। ডেলিভারি কর্মীদের পরিচয় যাচাইয়ের ব্যবস্থা গড়তেও সহযোগিতা করা হবে।
মূল লেখায় শুধু বলা আছে ৬৯টি জননিরাপত্তা উদ্বেগের এলাকা ও কর্মস্থলে বিশেষ অভিযান চালানো হবে, নির্দিষ্ট জায়গার নাম নেই।
বিদেশি সমন্বিত তথ্যকেন্দ্র (외국인종합안내센터) 1345-এ যোগাযোগ করুন। মূল লেখায় বিচার মন্ত্রণালয়ের অভিবাসন তদন্ত বিভাগের (이민조사과) দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীর নম্বরও দেওয়া আছে।
অন্যান্য অভিবাসনের খবর
E-7-4 এক্সটেনশনের কাগজ ১২টি থেকে ৭টি? কী কী বদলাচ্ছে 🧾2026.11.06
১৯ নভেম্বর পর্যন্ত, অনলাইনে শোনা যাবে প্রবাসী কোরিয়ান নীতি বিষয়ক কোর্স 🎓2026.11.06
শরণার্থী আবেদন চলছে, কিন্তু জীবনযাত্রার খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তা? 💸2026.11.06এই লেখা সাধারণ তথ্য। আপনার অবস্থার জন্য K-VISA AI বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত এজেন্টকে জিজ্ঞেস করুন।
