বন্ধু আমন্ত্রণ

1 জন বন্ধুকে আমন্ত্রণ জানালে
3,000 ওন পাবেন

কতজন বন্ধুকে আমন্ত্রণ জানাতে পারবেন তার কোনো সীমা নেই।

  1. 1বন্ধুকে আমন্ত্রণ লিংক পাঠান
  2. 2বন্ধু যোগ দিয়ে অবস্থানের তথ্য নিবন্ধন করে
  3. 3আপনি 3,000 ওন পাবেন

লগইন করলেই আপনার আমন্ত্রণ লিংক তৈরি হয়ে যাবে

ইভেন্টের বিস্তারিত দেখুন ›
মায়ানমার (বার্মা) বিবাহ ভিসা
🇲🇲

মায়ানমার (বার্মা) বিবাহ ভিসা

মিয়ানমারের স্বামী/স্ত্রীর সাথে কোরিয়াতে একসাথে থাকতে হলে বিবাহ ভিসা (F-6) লাগে। ক্রমটি হলো ① কোরিয়া ও মিয়ানমার দুই দেশে বিবাহ নিবন্ধন (মিয়ানমারে ধর্মভেদে বিবাহের প্রক্রিয়া আলাদা) ② মিয়ানমারের কাগজপত্রে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন, কোরিয়ান দূতাবাসের কনস্যুলার সত্যায়ন ও অনুবাদ (মিয়ানমার অ্যাপোস্টিল ব্যবহার করে না) ③ আয়·বাসা·কথোপকথনের প্রমাণ নিয়ে ভিসার আবেদন। K-VISA-র খরচ শর্তাবলি পর্যালোচনার পর জানানো হয়, আর K-VISA-র ভুলে আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে ফি 100% ফেরত দেওয়া হয়।

এক নজরে

আপনারা দুজন যে ভিসা পাবেনF-6 বিবাহ-অভিবাসন ভিসা
প্রথমবার পাওয়া মেয়াদসর্বোচ্চ 3 বছর, পরে নবায়ন করা যায়
মিয়ানমারের কাগজপত্র প্রস্তুতিপররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন + দূতাবাসের কনস্যুলার সত্যায়ন
বিবাহ নিবন্ধনকোরিয়া · মিয়ানমার দুই দেশেই
আবেদনের স্থানস্বামী/স্ত্রী কোথায় আছেন তার ভিত্তিতে
পরামর্শের ভাষাকোরিয়ান · ইংরেজি

এক কথায় বললে ক্রমটি হলো: দুই দেশে বিবাহ নিবন্ধন → মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন ও দূতাবাসের কনস্যুলার সত্যায়ন → বিবাহ ভিসার আবেদন। মিয়ানমারে ধর্মভেদে বিবাহের প্রক্রিয়া আলাদা, তাই শুরু করার আগে আপনাদের দুজনের অবস্থা আগে যাচাই করা হয়।

কোরিয়া-মিয়ানমার দম্পতিদের অবশ্যই জানা দরকার এমন কিছু সংখ্যা

3 মাস

মিয়ানমারে আগে বিয়ে করলে 3 মাসের মধ্যে কোরিয়াতেও বিবাহ নিবন্ধন করতে হবে।

পারিবারিক সম্পর্ক নিবন্ধন আইন
20টির বেশি

বিবাহ নিবন্ধন থেকে ভিসা পর্যন্ত আপনাদের দুজনকে যত কাগজপত্র গুছিয়ে নিতে হয়।

K-VISA-র কাজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে
2 বার

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন নেওয়ার পর কোরিয়ান দূতাবাসের কনস্যুলার সত্যায়নও নিতে হয়।

মিয়ানমার অ্যাপোস্টিল ব্যবহার করে না
3টি বিষয়

ভিসা যাচাইয়ে যা দেখা হয়: আয়, একসাথে থাকার বাসা, কথোপকথনের সক্ষমতা

আইন মন্ত্রণালয়ের F-6 মানদণ্ড

বিয়ে নিবন্ধনের ধাপ

জটিল মনে হলেও আপনাদের দুজনকে মনে রাখতে হবে মাত্র তিনটি বিষয়। ① বিবাহ নিবন্ধন → ② কাগজপত্র যাচাই → ③ ভিসার আবেদন

A · আগে মিয়ানমারেমিয়ানমারে বিয়ে → কোরিয়াতে নিবন্ধনআপনারা দুজন মিয়ানমারে একসাথে থাকতে পারলে
  1. 1
    কোরিয়ান স্বামী/স্ত্রীর বৈবাহিক সম্পর্ক সনদসহ কোরিয়ার কাগজপত্র কোরিয়াতে নোটারি করুন, তারপর প্রবাসী কোরিয়ান সংস্থার কনস্যুলার সত্যায়ন ও কোরিয়ায় অবস্থিত মিয়ানমার দূতাবাসের সত্যায়ন নিন।
  2. 2
    কোরিয়ান স্বামী/স্ত্রী মিয়ানমারে প্রবেশ করবেন। প্রয়োজনীয় ভিসা ও স্থানীয় নিবন্ধন পরামর্শের সময় যাচাই করে দেওয়া হবে।
  3. 3
    স্থানীয় আদালতে বিবাহের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিবাহের অঙ্গীকারনামা নিন। ধর্মভেদে প্রযোজ্য আইন আলাদা হতে পারে।
  4. 4
    বিবাহের অঙ্গীকারনামার ইংরেজি অনুবাদ নোটারি করুন, মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন ও মিয়ানমারে অবস্থিত কোরিয়ান দূতাবাসের কনস্যুলার সত্যায়ন নেওয়ার পর কোরিয়ান ভাষায় অনুবাদ করুন।
  5. 5
    3 মাসের মধ্যে কোরিয়ার সিটি/জেলা অফিসে বা দূতাবাসে নিবন্ধন করুন।
B · আগে কোরিয়াতেকোরিয়াতে বিবাহ নিবন্ধন → মিয়ানমারে নিবন্ধনমিয়ানমারের স্বামী/স্ত্রী কোরিয়াতে থাকলে
  1. 1
    মিয়ানমারের স্বামী/স্ত্রীর ওয়ার্ড অফিস থেকে ইস্যু করা অবিবাহিত সনদ, পারিবারিক তালিকা, পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট প্রস্তুত করুন।
  2. 2
    মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন ও কোরিয়ান দূতাবাসের কনস্যুলার সত্যায়ন নিয়ে কোরিয়ান ভাষায় অনুবাদ করুন।
  3. 3
    কোরিয়ায় অবস্থিত মিয়ানমার দূতাবাস ইত্যাদিতে বিয়ের শর্তসংক্রান্ত কাগজ লাগবে কি না যাচাই করুন।
  4. 4
    কোরিয়ার সিটি/জেলা অফিসে বিবাহ নিবন্ধন করুন।
  5. 5
    মিয়ানমারেও বিবাহ নিবন্ধনের পদ্ধতি পরামর্শের সময় যাচাই করে দেওয়া হবে।

কাগজপত্র সত্যায়নের ধাপ

মিয়ানমার অ্যাপোস্টিল ব্যবহার করে না, তাই মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন ও কোরিয়ান দূতাবাসের সত্যায়ন ক্রমানুসারে নিলে তবেই কাগজ কার্যকর হয়।

মিয়ানমারের কাগজপত্র কোরিয়াতে জমা দিতে
মিয়ানমারে ইস্যু→ইংরেজি অনুবাদ নোটারি→মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন→মিয়ানমারে অবস্থিত কোরিয়ান দূতাবাসের কনস্যুলার সত্যায়ন→কোরিয়ান অনুবাদ · জমা
কোরিয়ার কাগজপত্র মিয়ানমারে জমা দিতে
কোরিয়াতে ইস্যু→কোরিয়াতে নোটারি→প্রবাসী কোরিয়ান সংস্থা (재외동포청)-র কনস্যুলার সত্যায়ন→কোরিয়ায় অবস্থিত মিয়ানমার দূতাবাসের সত্যায়ন→মিয়ানমারে জমা

কোরিয়া ও মায়ানমার (বার্মা)-এর নিয়মের তুলনা

🇰🇷 কোরিয়া🇲🇲 মায়ানমার (বার্মা)
বিয়ের বয়সনারী-পুরুষ উভয়ের পূর্ণ 18 বছর থেকেনারী-পুরুষ উভয়ের পূর্ণ 18 বছর থেকে
বিবাহ নিবন্ধনের স্থানসিটি/জেলা অফিস (বিদেশে দূতাবাস)স্থানীয় আদালত (বিবাহের অঙ্গীকারনামা ইস্যু)
বিদেশি কাগজপত্র ব্যবহারের নিয়মমিয়ানমারের কাগজপত্র → সত্যায়ন + কনস্যুলার সত্যায়ন + অনুবাদকোরিয়ার কাগজপত্র → প্রবাসী কোরিয়ান সংস্থা + কোরিয়ায় অবস্থিত মিয়ানমার দূতাবাসের সত্যায়ন
বিয়ের পদ্ধতিকাগজপত্র জমা দিয়ে নিবন্ধনধর্মভেদে প্রযোজ্য আইন আলাদা
অন্য দেশে বিয়ে করে থাকলে3 মাসের মধ্যে কোরিয়াতে নিবন্ধনমিয়ানমারে বিবাহের তথ্য নিবন্ধন

যাচাইয়ে যা দেখা হয়

  1. 1নির্দেশনা প্রোগ্রাম মিয়ানমারের স্বামী/স্ত্রীর ক্ষেত্রে দেশটি আন্তর্জাতিক বিবাহ নির্দেশনা প্রোগ্রাম সম্পন্ন করার আওতাভুক্ত নয়। আপনাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কি না, পরামর্শের সময় আবার যাচাই করে দেব।
  2. 2আয় কোরিয়ান স্বামী/স্ত্রীর আয় নির্ধারিত মানের সমান বা বেশি হতে হবে। নির্ধারিত অঙ্ক প্রতি বছর বদলায়।
  3. 3কথোপকথনের সক্ষমতা স্বামী/স্ত্রীকে প্রাথমিক কোরিয়ান বলতে পারতে হবে, অথবা আপনারা দুজন একটি সাধারণ ভাষায় কথা বলতে পারতে হবে।
  4. 4একসাথে থাকার বাসা আপনারা দুজন একসাথে থাকতে পারবেন এমন বাসা (নিজস্ব·জনসে·মাসিক ভাড়া) থাকতে হবে।
  5. 5সম্পর্কটি সত্যিকারের কি না পরিচয়ের প্রক্রিয়া, যোগাযোগের রেকর্ড ও ছবি দিয়ে তা দেখানো হয়। মিয়ানমার থেকে আবেদন করলে দম্পতির সাক্ষাৎকার হতে পারে।

সাধারণত যে কারণে আটকে যায়

  • স্থানীয় সময়সূচি পিছিয়ে যায়মিয়ানমারের সংস্থার সময়সূচি বদলে যাওয়ায় কাগজ ইস্যুতে দেরি হয়
  • সম্পর্কের রেকর্ড যথেষ্ট নয়পরিচয়ের সময়কাল কম, বা যোগাযোগ ও দেখা-সাক্ষাতের রেকর্ড কম
  • কথোপকথনের প্রমাণ দুর্বলকোরিয়ান ভাষার দক্ষতা বা সাধারণ ভাষা দেখানোর মতো প্রমাণ যথেষ্ট নয়
  • কাগজপত্রের সত্যায়ন বাদ পড়েছেপররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন·কনস্যুলার সত্যায়ন বাদ পড়া, অনুবাদে ভুল, নামের বানানে পার্থক্য

যে কাগজপত্র প্রস্তুত করতে হবে

কোরিয়ান স্বামী/স্ত্রী
  • পাসপোর্ট
  • মৌলিক সনদ·পারিবারিক সম্পর্ক সনদ·বৈবাহিক সম্পর্ক সনদ (বিস্তারিত)
  • স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদ
  • আয়·চাকরির কাগজপত্র
  • বাসার কাগজপত্র
মিয়ানমারের স্বামী/স্ত্রী
  • পাসপোর্ট
  • অবিবাহিত সনদ (ওয়ার্ড অফিস থেকে ইস্যু)
  • পারিবারিক তালিকা·পরিচয়পত্র
  • স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদ
  • অপরাধ রেকর্ডের কাগজ (প্রয়োজন হলে)
আপনারা দুজন একসাথে
  • পরিচয়ের প্রক্রিয়ার বিবরণ
  • ছবি·যোগাযোগের রেকর্ড
  • কথা বলতে পারার প্রমাণ
সত্যায়ন পদ্ধতি
  • মিয়ানমারের কাগজপত্রে ইংরেজি অনুবাদ নোটারি + মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন + কনস্যুলার সত্যায়ন + কোরিয়ান অনুবাদ
  • কোরিয়ার কাগজপত্রে নোটারি + প্রবাসী কোরিয়ান সংস্থার কনস্যুলার সত্যায়ন + কোরিয়ায় অবস্থিত মিয়ানমার দূতাবাসের সত্যায়ন

কাজ দেওয়ার আগে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

Qমিয়ানমারের বিবাহ ভিসার খরচ কত?
A

K-VISA-র সেবা ফি স্বামী/স্ত্রী কোথায় আছেন এবং কাগজপত্র ও শর্তের অবস্থার ওপর নির্ভর করে, তাই শর্তাবলি পর্যালোচনার পর খরচের হিসাব জানানো হয়। সরকারি ফি, অনুবাদ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন·কনস্যুলার সত্যায়নের মতো প্রকৃত খরচ আলাদা। পরামর্শ ও প্রাথমিক পর্যালোচনা বিনামূল্যে, আর K-VISA-র ভুলে প্রত্যাখ্যাত হলে ফি 100% ফেরত দেওয়া হয়।

Qমিয়ানমারের স্ত্রীকে কোরিয়াতে আনতে হলে কী করতে হবে?
A

দুই দেশে বিবাহ নিবন্ধন শেষ করার পর কোরিয়া থেকে ভিসা ইস্যু অনুমোদনপত্র নিন, অথবা ইয়াঙ্গুনে অবস্থিত কোরিয়ান দূতাবাসে বিবাহ ভিসার (F-6) আবেদন করুন। ভিসা পেলে স্বামী/স্ত্রী কোরিয়াতে প্রবেশ করে বিদেশি নিবন্ধন করলেই হবে।

Qমিয়ানমারের বিবাহ ভিসার জন্য কী কী কাগজ লাগে?
A

কোরিয়ান স্বামী/স্ত্রীর লাগবে পাসপোর্ট, মৌলিক·পারিবারিক সম্পর্ক·বৈবাহিক সম্পর্ক সনদ (বিস্তারিত), আয়·চাকরির কাগজপত্র ও বাসার কাগজপত্র। মিয়ানমারের স্বামী/স্ত্রীর লাগবে পাসপোর্ট, অবিবাহিত থাকার প্রমাণপত্র, পারিবারিক তালিকা·পরিচয়পত্র, আর মিয়ানমারের কাগজপত্রে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন ও কনস্যুলার সত্যায়ন নেওয়ার পর কোরিয়ান ভাষায় অনুবাদ করতে হবে। আপনাদের পরিচয়ের প্রক্রিয়ার বিবরণ এবং ছবি·যোগাযোগের রেকর্ডও একসাথে জমা দিতে হয়।

Qবিবাহ নিবন্ধন আগে কোরিয়াতে, না মিয়ানমারে?
A

দুটোই সম্ভব। মিয়ানমারে আগে করলে স্থানীয় আদালতে বিবাহের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিবাহের অঙ্গীকারনামা নিতে হয়, আর স্বামী/স্ত্রী কোরিয়াতে থাকলে অনেকেই আগে কোরিয়াতে নিবন্ধন করেন। পরিস্থিতিভেদে সুবিধাজনক ক্রম আলাদা হয়, তাই বিনামূল্যে প্রাথমিক পর্যালোচনায় আগে তা ঠিক করে দেওয়া হয়।

Qআমার আয় নির্ধারিত মানের চেয়ে কম হলে কী করব?
A

মানদণ্ড প্রতি বছর বদলায়, আর আয় একটু কম হলেও সম্পদ ইত্যাদি দিয়ে পূরণ করা যায় এমন ক্ষেত্র আছে। প্রাথমিক পর্যালোচনায় আগে যাচাই করে একসাথে উপায় খুঁজে দেওয়া হয়।

Qআমার স্ত্রী প্রায় কোরিয়ান বলতে পারেন না
A

আপনারা দুজন একটি সাধারণ ভাষায় কথা বলতে পারেন, তা দেখালেই হবে। কোন কোন প্রমাণ দিয়ে প্রস্তুতি নেবেন, আমরা গুছিয়ে দেব।

Qআন্তর্জাতিক বিবাহ নির্দেশনা প্রোগ্রাম কি নিতে হবে?
A

মিয়ানমারের স্বামী/স্ত্রীর ক্ষেত্রে দেশটি আন্তর্জাতিক বিবাহ নির্দেশনা প্রোগ্রাম সম্পন্ন করার আওতাভুক্ত নয়। তবে নিয়ম বদলাতে পারে, তাই পরামর্শের সময় আবার যাচাই করে দেওয়া হয়।

Qকত সময় লাগে?
A

বিবাহ নিবন্ধন আগেই করে থাকলে গড়ে 5~8 সপ্তাহ, আর বিবাহ নিবন্ধন থেকে শুরু করলে গড়ে প্রায় 3~4 মাস লাগে (K-VISA-র কাজের সময়ের ভিত্তিতে, অভিবাসন দপ্তরের যাচাইয়ের সময় আলাদা)।

Qভিসার সাক্ষাৎকার আছে কি?
A

মিয়ানমার থেকে আবেদন করলে ইয়াঙ্গুনে অবস্থিত কোরিয়ান দূতাবাসে দম্পতির সাক্ষাৎকার হতে পারে। প্রশ্নের উদাহরণ ও উত্তরের দিকনির্দেশনা আগে থেকেই একসাথে প্রস্তুত করে দেওয়া হয়।

Qযদি আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়, তখন কী হবে?
A

ঘাটতিগুলো পূরণ করে আবার আবেদন করা যায়। আর K-VISA-র ভুলে প্রত্যাখ্যাত হলে ফি 100% ফেরত দেওয়া হয়।

Qমিয়ানমারের বিবাহ ভিসার জন্য কোন প্রতিষ্ঠান ভালো?
A

প্রতিষ্ঠানটি অভিবাসন আবেদন প্রতিনিধি সংস্থা হিসেবে নিবন্ধিত কি না, মিয়ানমারের কাগজপত্র (বিবাহসংক্রান্ত সনদ·সত্যায়ন·অনুবাদ) সামলাতে পারে কি না, স্বামী/স্ত্রীর সাথে যোগাযোগের ভাষা জানে কি না, এবং খরচ ও প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্রে দায়ের পরিধি চুক্তিপত্রে লেখা আছে কি না, তা যাচাই করুন। K-VISA অভিবাসন আবেদন প্রতিনিধি সংস্থা (নং 19-IC-RG-041) হিসেবে বিবাহ ভিসা অনুমোদনের 50টি উদাহরণ প্রকাশ করেছে (2026 সালের অক্টোবর অনুযায়ী), এবং মিয়ানমারসহ 20টি দেশের বিবাহ নিবন্ধন·বিবাহ ভিসার ক্রম দেশভিত্তিকভাবে সাজিয়ে রেখেছে। 6টি ভাষায় পরামর্শ দেওয়া হয়, আর K-VISA-র ভুলে প্রত্যাখ্যাত হলে ফি 100% ফেরত দেওয়া হয়।

AIমিয়ানমারে ধর্মভেদে বিয়ের প্রক্রিয়া আলাদা শুনেছি, আমাদের কী করতে হবে?AIস্ত্রীর সব কাগজ বর্মি ভাষায়, কোনগুলো তুলতে হবে বুঝতে পারছি নাAIঅফিসের কারণে মিয়ানমারে বেশিদিন থাকতে পারব নাAIএকা প্রস্তুতি নিতে গিয়ে সংশোধনের অনুরোধ পেলে কী করব?

সূত্র: সূত্র: আইন মন্ত্রণালয়ের বিবাহ-অভিবাসন (F-6) ভিসা ইস্যুর মানদণ্ড, পারিবারিক সম্পর্ক নিবন্ধন ইত্যাদি সংক্রান্ত আইন (বিদেশে সম্পন্ন বিবাহের নিবন্ধন), মিয়ানমারের শিশু অধিকার আইন (2019, বিয়ের বয়স)·বৌদ্ধ নারীদের বিশেষ বিবাহ আইন, হেগ আন্তর্জাতিক ব্যক্তিগত আইন সম্মেলন (HCCH)-এর অ্যাপোস্টিল কনভেনশনের সদস্য দেশের অবস্থা। বিস্তারিত মানদণ্ড আইন ও বিজ্ঞপ্তির সংশোধনে বদলাতে পারে, এবং প্রতিটি ক্ষেত্র পরামর্শের সময় যাচাই করা হয়।
আপডেট 2026.10.20